পটুয়াখালী কমলাপুর ইউনিয়নে ছাত্রী অপহরন: মামলা দায়ের

সিলেট বিডি নিউজ
প্রকাশিত ২৮, ফেব্রুয়ারি, ২০২১, রবিবার

মোঃ মোস্তফা কামাল খান, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ধরান্দী গ্রামের জাকিয়া নামের ৬ষ্ঠ এক ছাত্রীকে অপহরন করে নিয়ে যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। অপহরনকারী একই এলাকার বাসিন্দা ইয়াকুব সিকদার (৩৮), পিতাঃ সিদ্দিক সিকদার। এবিষয়ে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, পটুয়াখালী আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন অপহরন হওয়া জাকিয়ার পিতাঃ মোঃ আবু জাফর সিকদার।গত ২১/০১/২১ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০ মিনিটের সময় ঘটনাটি ঘটে।

মামলা সুত্রে, ঘটনার দিন সকালে নাবালিকা জাকিয়া বাড়ির পশ্চিম পাশের পুকুরে পানি আনতে যায়।এসময় অপহরনকারী তার সহযোগীদের নিয়ে জাকিয়াকে জোর পুর্বক টানাটানি করলে নাবালিকার ডাকচিৎকারে তার মা নুরনেহার বেগম বেড়িয়ে আসেন।এসে অপহরনকারীদের কবল থেকে মেয়েকে বাঁচাতে ডাকচিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন বেড়িয়ে ঘটনাস্থলে আসলে নাবালিকাকে একটি মাহিন্দ্রা গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে আসামিরা।পরে নাবালিকার পিতাঃ জাফর সিকদার অপহরনকারীদের পিতা মাতা ও দুইজন সহযোগী সিদ্দিক সিকদার (৫৯) ও ফিরোজা বেগম (৫৪) কাছে তার মেয়েকে ফেরত চাইলে তাকে মামলা মোকদ্দমা করতে নিষেধ করে এবং মেয়েকে ফেরত দিবে বলে আশ্বস্ত করেন।বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের অবগতি করিলে তারাও উদ্ধার চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় অবহিত করলে থানা কতৃপক্ষ আবারও খুঁজে দেখতে বলেন।কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও স্থানীয় কিংবা থানা কর্তৃক কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ না পেয়ে। নাবালিকার পিতাঃ জাফর সিকদার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, পটুয়াখালী আদালতে অপহরনকারীদের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা দায়ের করেন, যাহার ধারা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, সংশোধিত ২০০৩ এর ৭/৩০. মামলায় আসামিরা হলেন, ১). ইয়াকুব সিকদার (৩৮), পিতাঃ সিদ্দিক সিকদার, (২. ফারুক হাওলাদার (৩০).পিতাঃ মোসলেম হাওলাদার, (৩. সিদ্দিক সিকদার (৫৯), পিতাঃ মোন্তাজ সিকদার, (৪. রেহানা বেগম (৫৪). বিজ্ঞ আদালত মামলা তদন্তের জন্য থানা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সরেজমিন অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিবেদকে মামলার বাদী নাবালিকা জাকিয়ায় পিতাঃ বলেন আমার মেয়েকে যারা অপহরন করে নিয়ে গেছে আইনের মাধ্যমে দ্রুত আমার মেয়েকে ফেরত চাই এবং আসামিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

এনিয়ে কমলাপুর ইউনিয়নর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা মারাত্মক ও জঘন্য অপরাধ করেছে আমরা বিষয়টি জানার পরে অনেক চেষ্টা করে ও কোন খোঁজ খবর পাইনি আসামির যেহেতু অপহরণ হওয়া মেয়েটি একটি শিশু তাই আইনের মাধ্যমে দ্রুত আসামিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানান। অত্র ওয়ার্ড মহিলা সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য নাজমা বেগম ও তার স্বামী মোঃ নাসির সিকদার বলেন, ঘটনা সত্য এলাকাবাসী সকলেই জানে এমন জঘন্য অপরাধের বিচার হোক এমন দাবি এলাকাবাসীর। এবিষয়ে এলাকার একাধিক বাসিন্দারা মিডিয়াকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

 92 total views

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 17
    Shares
error: Content is protected !!