বানিয়াচংয়ে হাইকোর্টের রায় অমান্য করে মাটি খনন বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের

সিলেট বিডি নিউজ
প্রকাশিত ১৬, এপ্রিল, ২০২১, শুক্রবার
বানিয়াচংয়ে হাইকোর্টের রায় অমান্য করে মাটি খনন বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের

মোফাজ্জল ইসলাম সজীব, স্টাফ রিপোর্টার: হাইকোর্টের রায় অমান্য করে ছোট ভাটেরা বড় ভাটেরা বিলে অবাধে চলছে মাটি খনন। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও প্রতিকার মিলছেনা বলে জানালেন স্থানীয়রা। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে, যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

এস্কেভেটর দিয়ে ছোট ভাটেরা খনন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউপির বক্তারপুর-বেতকান্দি ছোট ভাটেরা বড় ভাটেরা নিয়ে
গত চার বছর আগে ৫ আগস্ট ২০১৭ সালে নিষেধাজ্ঞা জারি করে হাইকোর্ট। তফসিল বর্নিত জলমহাল নিয়ে মহামান্য হাইকোর্ট সিভিল রিভিশন

মামলা নং ১৩৩৬/২০১৭ সালে মামলা বিচারাধীন থাকায় উক্ত মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট হতে সরকারি বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে স্হায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন। যাহা বর্তমানে ও বহাল। উল্লেখিত মহামান্য হাইকোর্টর নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে তফসিল বর্নিত জলমহাল বানিয়াচং এলজিইডি ( হেমলিপ)কর্তৃক জলমহালের পানি মেশিন সরবরাহ করে শুকিয়ে এক্সেভেটর মেশিন দ্বারা মাটি খননের কাজ করিতে গেলে বক্তারপুর ও বেতকান্দি দুই গ্রাম বাসী মিলে বানিয়াচং এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে এক্সেভেটর সহ ছোট ভাটেরা সিমানা থেকে চলে যাওয়ার জন্য ও মাটি খনন না করতে নিষেধ করেন।

মহামান্য হাইকোর্টের স্হায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করিলে, জেলা প্রশাসকের পক্ষে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর হবিগঞ্জ সাক্ষরিত নির্বাহী প্রকৌশলী স্হানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর হবিগঞ্জ কে
নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রেরণ করেন স্বত্ব মোকদ্দমা অংশ ব্যাতিত কার্যক্রম করার জন্য।

এলাকা বাসী জানান এলজিইডি কর্তক বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী’ উপস্থিত থেকে মাটি খনন কাজ উদ্বোধন করেন।

হাইকোর্ট নির্দেশে হবিগঞ্জ যুগ্ন জেলা জজ ১ম আদালতের স্বত্ব ১০/৮৭ নং নিষেধাজ্ঞা এবং মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের ১৩৩৬/২০১৭ নং সিভিল রিভিশন মামলার ০৮.০৫.২০১৭ তারিখে আদেশ প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে সদয় অবগতির জন্য অনুলিপি প্রেরণ করেছেন বক্তারপুর বেতকান্দি গ্রাম বাসী,জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার হবিগঞ্জ,নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি হবিগঞ্জ , অফিসার ইনচার্জ বানিয়াচংকে অনুলিপি প্রধান
করেও প্রতিকার মিলছে না বলে জানালেন স্থানীয়রা এমনকি প্রভাবশালী মহল থেকে গ্রামবাসীর উপরে হুমধামকি প্রধান করা হচ্ছে।

বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ ইমরান আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান অভিযোগ পেয়েছি কিন্তু এই বিষয়ে আমার কিছু করার নেই এটা দেখবেন নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যান।

এ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দৈনিক আমার হবিগঞ্জ কে জানান এই বিষয়ে কিছু জানি না আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ কেউ দায়ের করেন নি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখবো।

 586 total views

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন
  • 110
    Shares
error: Content is protected !!